মাশরুম কী?
মাশরুম (Mushroom) এক ধরনের উপকারী ছত্রাকজাতীয় উদ্ভিদ। খাওয়ার উপযোগী এ ছত্রাকের সাদা, ডিম্বাকার, শরীরের অংশকে মাশরুম বলে। এদের অধিকাংশই ব্যাসিডিওমাইকোটা এবং কিছু অ্যাসকোমাইকোটার অন্তভুক্ত। উদ্ভিদ হলেও অন্যান্য উদ্ভিদের মতো মাশরুমের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য তৈরির জন্য সূর্য থেকে আলোর প্রয়োজন পড়ে না। আমাদের দেশে মাশরুম ব্যাঙের ছাতা নামে বেশি পরিচিত। একে আমরা সবজি হিসেবে খেয়ে থাকি। মাশরুম প্রোটিন সমৃদ্ধ সবজি। তাই একে ‘সবজি মাংস’ও বলা হয়ে থাকে। প্রতি ১০০ গ্রামে (শুকনো মাশরুম) ২০-৩০ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। মাশরুমে ভিটামিন সি, বি কমপ্লেক্স, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস ও কম মাত্রায় ক্যালসিয়াম ও লৌহ রয়েছে।
মাশরুমের বৈজ্ঞানিক নাম:
মাশরুমের বৈজ্ঞানিক নাম হলো- এগারিকাস বিসপোরাস (Agaricus Bisporus)। বিশ্বের সর্বত্র চাষাবাদ করা জনপ্রিয় ছত্রাক হলো মাশরুম।
পবিত্র কোরআন ও হাদীসে মাশরুমের উল্লেখঃ
পবিত্র কোরআন ও হাদীসে মাশরুমকে অত্যন্ত মর্যাদাকর খাবার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সহীহ বুখারী শরীফে রাসুল (সঃ) বলেছেন, আল কামাতু মিনাল মান্না ওয়া মাহা সাফা আল্ আইন” অর্থাৎ মাশরুম এক শ্রেণীর মান্না এবং এর রস চোখের জন্য ঔধষ বিশেষ। আর মান্না সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে সূরা বাকারার ৫৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে – অযাল্লালনা আলাইকুমুল গামামা ওয়া আনযালনা আলাইকুমুল মান্না-ওয়াস্-সালওয়া কুলুমিন তায়্যিবাতি মা রাযাক্বনাকুম; ওমা জলামুনা আলাকিন কানূ আনফুছাহুম ইয়াযলিমূন অর্থাৎ আর আমি মেঘমালা দিয়ে তোমাদের উপর ছায়া দান করেছি এবং তোমাদের জন্য অত্যন্ত সম্মানিত খাবার পাঠিয়েছি মান্না ও সালওয়া। তোমরা খাও সে সব পবিত্র বস্তু যা আমি তোমাদের জন্য দান করেছি।